দেশের সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এছাড়া বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ০৬ টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিন/দক্ষিন-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৬০-৮০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত (পুনঃ) ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র দক্ষিন/দক্ষিন-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি:মি: বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।সেই সাথে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদী বন্দরসমূহকে) ১ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সাথে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

রাজশাহী, দিনাজপুর, নীলফামারী এবং পঞ্চগড় অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘন্টায় দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু আরো অগ্রসর হতে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমী বায়ু চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমী বায়ু আরো অগ্রসর হওয়ার জন্য আবহাওয়াগত অবস্থা অনুকূলে রয়েছে।

ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬ টা ৪৬ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫ টা ১০ মিনিটে হবে। তথ্য সূত্র- বাসস

এমবি