অজ্ঞান ও মলম পার্টির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলার পাশাপাশিতাদের স্পেশাল ট্রিটমেন্টেরও ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
সোমবার বিকেলে মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে অজ্ঞান ও মলম পার্টি প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, অজ্ঞান ও মলম পার্টির সদস্যরা অসহায় লোকদের সব কিছু লুটে নেয়। তাই তাদের স্পেশাল ট্রিটমেন্ট দেওয়ার দরকার আছে। এর পর থেকে শুধু মামলা নয়, এদের স্পেশাল ট্রিটমেন্টও করা হবে, ইনশাল্লাহ। এ কাজে উৎসাহ ও অর্থদাতাদেরও ধরা হবে। তবে সেই ট্রিটমেন্টটি কী তা বিস্তারিত বলেননি ডিএমপি কমিশনার।
আছাদুজ্জামান মিয়া আরো বলেন, সড়কে কারা রং সাইড দিয়ে চলে, কারা যানজটের সৃষ্টি করে, সবই আমরা জানি। আসুন আমরা নিজেরা সচেতন হই। সবাই মিলে সোনার বাংলা গড়ি।
এর আগে রাজনৈতিক সহিংসতার সময় পরিবহণ ব্যবস্থা সচল রেখে জনগণকে দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা করায় পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ভাইদের ধন্যবাদ জানান আছাদুজ্জামান মিয়া।
আগামীতে ঢাকা মহানগরবাসী ও যাত্রীদের জন্য মালিক-শ্রমিক ও পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে বলে অঙ্গীকার করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ্ বলেন, পুলিশের মতো পরিবহণের মালিক-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে লিফলেট, পোস্টার তৈরি করে গাড়িতে টাঙিয়ে দেওয়া হবে। যাতে যাত্রীরা অজ্ঞান ও মলম পার্টি থেকে দূরে থাকে।
এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কমিশনার জনসাধারণ ও গাড়িচালকদের কাছে লিফলেট বিতরণ করেন। ডিএমপির ট্রাফিক উত্তর বিভাগ এর আয়োজন করে।
এ সময় আরো উপস্থি্ত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপারেশন) শেখ মুহাম্মদ মারুফ হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খন্দকার গোলাম ফারুক, পুলিশের তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার, ঢাকা জেলা বাস-মিনিবাস সড়ক পরিবহণ ইউনিয়নের সভাপতি মো. ছাদিকুর রহমান হিরু, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল কালাম, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী।
এমআর





