নওগাঁর পত্নীতলায় যে কোন কম্পিউটার দোকানে মোবাইল মেমরি ডাউন লোডের নামে চলছে অসামাজিক পুর্নোগ্রাফি ছবি ও ভিডিও জমজমাট ব্যবসা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধানে জানা যায়, কিছু অসৎ ব্যবসায়ীরা কম্পিটার এর মাধ্যমে মোবাইল মেমরি ডাউন লোডের নামে মাত্র ১০-২০টাকায় দেওয়া হচ্ছে অসামাজিক ছবি ও ভিডিও ।

আর এই অসামাজিক ছবি ও ভিডিও পুর্নোগ্রাফি ছবি মেমরিতে ডাউন লোড করছে অধিকাংশই শিশু, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতিরাই টিন এজ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। তবে যে কোন বয়সের লোকেরাই লোড নিতে আসছেন বলেও জানা যায়।

এসব পুর্নোগ্রাফি মেমরি ডাউন লোডের কারণে বেড়ে যাচ্ছে সমাজে অসামাজিক কার্যকালাপ। এসব অসামাজিক ছবি মোবাইল ব্লু-তুথ এর মাধ্যমে হাত বদল হচ্ছে অনায়াসেই স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীসহ সকল বয়সের ব্যক্তির কাছে।

এ বিষয়ে শিক্ষাবিদ ড. আবুল হায়াত মোহা. ঈসমাইল বলেন, অসামাজিক ছবি দেখার ফলে শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় হচ্ছে।

শিশু ধর্ষণ, ইভটিজিং, পরকিয়াসহ সেক্সুয়াল নির্যাতনের শিকার হচ্ছে একমাত্র এসব ছবি দেখার ফলে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

এছাড়াও উপজেলার কোন কোন এলাকায় ডিস-এন্টিনা মাধ্যমে ডিভিডিতে গভীর রাতে পুর্নোগ্রাফি ছবি প্রচার করা হয় বলে অভিযোগে জানা গেছে।

অভিজ্ঞ মহল দাবি করেন, বেকার যুককরা চায়ের দোকানে ডিস-এন্টিনা ও সিডি দেখার জন্য চা পানের নামে দিনে ও গভীর রাত অবধি গ্রামাঞ্চলে চলছে দেদারছে আড্ডা। যার ফলে এভাবে চলতে থাকলে এক সময় কর্মক্ষম লোকের অভাব দেখা দিবে বলে ধারণা করছেন।

ইআর