যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে সরকারি অস্ত্র ও সোনার বার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া এএসআই রফিককে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ।

রফিককে আটকের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে। উদ্ধার হয়নি আত্মসাৎ করা স্বর্ণের বারসহ রফিকের নামে বরাদ্দ করা সরকারি অস্ত্রটিও।

বেনাপোল পোর্ট থানা সূত্রে জানা গেছে, এএসআই রফিক ২০১৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বিজিবি ক্যাম্পের সামনে থেকে বিপুল পরিমাণ সোনার বারসহ সেই গ্রামের সাইদুর মল্লিকের ছেলে রেজাউল ইসলামকে (২৮) আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। রেজাউলকে থানা হাজতে রেখে ১৩ পিস সোনার বার এবং সরকারি পিস্তল নিয়ে নাটকীয়ভাবে পালিয়ে যান রফিক।

সোনার বারসহ সরকারি অস্ত্র নিয়ে পালানো এএসআই রফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দেশের কোনো থানায় যোগদান করে বহাল তবিয়তে চাকরি করছে কি না এবং এ ঘটনার সঙ্গে পুলিশের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জড়িত আছে কি না তা নিয়েও নানা গুঞ্জন উঠেছে বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায়।

পুলিশ জানায়, রফিকের সোনা আটকের ঘটনার পর সে নিজেই বিপাকে পড়ে। ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা রফিকের এই অভিযানের দায় নিতে চাননি। উদ্ধারকৃত সোনার পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পুলিশ সদস্যদের কেউ বলেন, সোনা ছিল ১৭ কেজি। রফিক দাবি করেন, ১৩টি সোনার বার উদ্ধার হয়েছে, যা কেউ বিশ্বাস করেনি। পরিস্থিতি বেগতিক দেথে এএসআই রফিক থানায় আসামি রেখে ‘আসছি বলে’ সোনার বার ও সরকারি অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যান।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান বলেন, ‘ঘটনার কয়েক দিন আগে থেকে তিনি চাকরি করবেন না বলে আসছিলেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। রফিকের নামে বরাদ্দকৃত সরকারি অস্ত্রটি তার ড্রয়ারে আছে কি না সেটি জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ড্রয়ার ভাঙার জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।’

এমএম