কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার ঘনত্বে শীর্ষে থাকা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পূর্ব রাজাবাজার এলাকা। গতকাল বুধবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে লকডাউনের পর অঞ্চলটিতে বেশ কড়াকড়ি চোখে পড়েছে।

আজ সকালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে। মাত্র একটি ছাড়া প্রবেশ ও বেরোনোর বাকি সাতটি পথও আটকে দেয়া হয়েছে।

লকডাউন পর্যবেক্ষণের জন্য ২৪ ঘন্টা টহল বজায় রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভেতরে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য সেবা ও জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরদের উদ্যোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট ভ্যানগাড়ির ব্যবস্থা রয়েছে। সেখান থেকে সবজি ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয় করছে এলাকাবাসী। এছাড়া জরুরী প্রয়োজনের জন্য বিশেষ কিছু নাম্বার দেয়া রয়েছে যেখানে ফোন করে সাহায্য পেতে পারবে স্থানীয় বাসিন্দারা।

লকডাউনের দ্বিতীয় দিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে সেখানে কর্তব্যরত শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘গতকালের চেয়ে আজকের পরিস্থিতি অনেক ভালো। যারা গতকালকে যারা বের হওয়া ব্যর্থ হয়েছেন, তারা আজ আর চেষ্টা করেননি। তারা ভালোভাবে বুঝে গেছেন লকডাউন কি। তবে মাঝে-মধ্যে দুএকজন এসেছেন, তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে যথাযথ কারণ না থাকায়।’

এর আগে, ৯ জুন দিবাগত রাত ১২টা থেকেই ১৪ দিনের জন্য রেড জোন ঘোষণা করে পরীক্ষামূলকভাবে লকডাউন করা হয়েছে পূর্ব রাজাবাজার এলাকাকে। সেখানে কঠোর অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এলাকায় কাউকেই প্রবেশ বা বের দিচ্ছেন না তারা। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনকে সহায়তা করতে এলাকাটির কাউন্সিলরের নির্দেশে ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন।


এএস