গাইবান্ধার যমুনা চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে গমের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক।
চলতি মৌসুমে ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চল ছাড়াও গাইবান্ধা সদর উপজেলাসহ পলাশবাড়ী, সাদুল্যাপুর ও গোবিন্দগঞ্জের কৃষকরাও গমের আবাদ করেছেন। সপ্তাহ খানেক পর চর এলাকাগুলোতে গম কাটা-মাড়াই শুরু হবে। বিগত দু’বছর নানা কারনে এ অঞ্চলে গমের আবাদ সন্তোষজনক না হওয়ায়, কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছিল।
এবার বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে চরের পলি মাটিতে বিভিন্ন রকমের ফসল চাষাবাদ শুরু করে চরাঞ্চলের কৃষকরা। অগ্রাহায়ণ ও পৌষ মাসে জমিতে গম বীজ বপন করে তারা। ফাল্গুনের শেষে ও চৈত্র মাসের প্রথম দিকে কাটা মাড়াই শুরু হবে।
গমের চারা রোপনের পর খুব বেশী সেচ দিতে হয় না। জমি চাষের সময় মাটির নিচে প্রয়োজন মোতাবেক জৈব সার ও চারা বড় হওয়ার কিছুদিন পরেই মাটির উপরের অংশে সামান্য ইউরিয়া সার প্রয়োগে গমের ভাল ফলন পাওয়া যায়।
সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দীঘলকান্দি চরের কৃষক শাহিন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় চরাঞ্চলে এবার গমের ফলন ভাল হয়েছে। তিনি ৮ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছেন। প্রতি বিঘায় ১২-১৪ মণ গম পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা করছেন।
সাঘাটা ইউনিয়নের হাসিলকান্দি গ্রামের কৃষক কাদের হোসেন বলেন, তিনি ৪ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছেন। এখন গম পাঁকতে শুরু করেছে। কয়েক দিনের মধ্যেই কাটা-মাড়াই শুরু হবে। সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় ফলন ভাল হয়েছে। প্রতি বিঘায় ১২-১৩ মণ গম হবে।
সাঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার এ,কে,এম, মুবিনুজ্জামান চৌধুরী জাগোনিউজকে জানান, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চরাঞ্চলে গমের ফলন ভাল হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে প্রতি বিঘায় ১০-১২ মণ হয়ে থাকলেও এবার ১৩-১৪ মণ ফলন আশা করছেন কৃষি অফিসার।
ইআর





