প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। দেশের অন্যসব মহসড়কের মতো ঢাকা-আরিচা মহাসড়কেও যানবাহনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। যানবাহনের বাড়তি চাপে মহাসড়কে থেমে থেমে চলছে গাড়ি। একটু পর পর সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের।
এদিকে পাটুরিয়া ঘাটে তেমন কোনো ভোগান্তি না থাকলেও পারের অপেক্ষায় আটকে আছে প্রায় দুই শতাধিক ট্রাক।
ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মো. আবুল হোসেন জানান, মহাসড়কে সকাল থেকেই যানবাহনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে গাড়ির চাপ আরোও বাড়বে। এই রুটে নিয়মিত চলাচলকারী গাড়ির পাশাপাশি বাড়তি কিছু কাটা গাড়ি যোগ হয়েছে। যে কারণে মহাসড়কে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। তবে সমস্যা তত প্রকট নয়।
এদিকে যানবাহন পারাপারে পর্যাপ্ত ফেরি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন-এর (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ম্যানেজার (বানিজ্য) সালাউদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে বর্তমানে ৯ টি রোরো, ৬ টি কেটাইপ ও ৩টি ইউটিলিটিসহ মোট ১৮ টি ফেরি সচল রয়েছে। সকাল থেকেই ঘাটে ছোট গাড়ির একটু চাপ রয়েছে। তাছাড়া দূরপাল্লার গাড়িগুলো ঘাটে আসা মাত্রই পার হয়ে যাচ্ছে। নদীর নাব্যতা স্বাভাবিক থাকায় ফেরি চলাচলে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তবে পাটুরিয়া ঘাটে পারের অপেক্ষায় রয়েছে দুই শতাধিক ট্রাক।
এবারের ঈদে কোনো রকম ঝক্কি ঝামেলা ছাড়াই যাত্রীরা বাড়ি ফিরতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জেলা পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা।
তিনি জানান, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে পাটুরিয়া ফেরি ঘাট। যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে ঘাট এলাকায় পুলিশ কন্ট্রোল রুম, আইনী সহায়তা দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, যাত্রী সাধারণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন, যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা নিরসনে দমকল বাহিনীর সদস্যসহ আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে র্যাবের টহল অব্যাহত রয়েছে। যানজট নিরসনে ওয়ানওয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জেআই





