সুন্দরবনে দস্যুদের কাছে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত ১১ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে পশ্চিম সুন্দরবনের কয়রা এলাকা থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় দস্যুদের সঙ্গে কোস্ট গার্ডের ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে দস্যুরা পরাস্ত হয়ে গহীন বনে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে দস্যুদের ফেলে যাওয়া দুটি ট্রলার, পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২২ রাউন্ড তাজাগুলি উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার লে. হায়াত ইবনে সিদ্দিক জানান, মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত জেলেদেরকে নিয়ে বনদস্যু নানা বাহিনীর সদস্যরা কয়রার গোমসা ভারানি এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। তবে কোস্ট গার্ড সদস্যরা গোমসা ভারানিতে প্রবেশ করা মাত্রই খালের মধ্যে পূর্ব থেকে অবস্থান নিয়ে থাকা দস্যুরা অভিযানকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে চলা বন্দুক যুদ্ধের এক পর্যায়ে দস্যুরা পরাস্ত হয়ে বনের গহীনে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দস্যুদের ফেলে যাওয়া পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২২ রাউন্ড তাজা গুলি, দুটি নৌকা ট্রলার ও দস্যু বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা ১১ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে বন্দুকযুদ্ধে কেউ হতাহত হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি কোস্ট গার্ড। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গুলি খুলনার কয়রা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া জিম্মি জেলেদেরকে স্ব-স্বপরিবারের কাছে ফেরত পাঠানোর জন্য কয়রার স্থানীয় এক ইউপি মেম্বরকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।





