ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে গাছপালা ভেঙে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তিন জেলায় ৪ জন নিহত হয়েছেন।
আজ (১০ নভেম্বর) রোববার সকালে বরগুনা, পটুয়াখালী ও খুলনায় গাছ পড়ে নারীসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের উত্তর রামপুরা গ্রামে ঝড়ো বাতাসের তোড়ে ঘরের উপর গাছ চাপা পড়ে হামেদ ফকির (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ মারা গেছেন বলে মির্জাগঞ্জ থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন।
পাশাপাশি, খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় সকালে গাছ পরে আলমগীর হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দিঘলিয়া থানার ওসি মল্লিক মোর্শেদ।
এছাড়া, খুলনার দাকোপ উপজেলায় প্রমিলা মণ্ডল (৫২) নামে এক নারী গাছ চাপা পড়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল ওয়াদুদ।
রোববার সকাল ১০টার দিকে দক্ষিণ দাকোপে এ ঘটনা ঘটে। নিহত প্রমিলা সুভাস মন্ডলের স্ত্রী।
এদিকে, বরগুনা সদর উপজেলার ডিএন কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রে হালিমা খাতুন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার বানাই গ্রামে।
আজ (১০ নভেম্বর) রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়াবিদ ও পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বুলবুল আর ঘূর্ণিঝড় নেই। সেটি এখন গভীর স্থলনিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বুলবুল এখন বাগেরহাট, পটুয়াখালী এবং বরিশাল অঞ্চলে অবস্থান করছে। তবে এর পরের গতিপথে দুইটি ঘটনা ঘটতে পারে। আরও দুর্বল হয়ে সেটি উত্তর-পূর্বাঞ্চল হয়ে ত্রিপুরা-আসাম চলে যাবে। এতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। অথবা বাংলাদেশের ভেতরেই এটি নিঃশেষ হয়ে যাবে।
এমবি





