নেত্রকোনার দূর্গাপুরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ায় উপজেলার অনেক নিমজ্জিত এলাকা জেগে উঠেছে।

দূর্গাপুর উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম জানান, পাহাড়ি ঢলে উপজেলার ১৭ হাজার আমন জমির মধ্যে ১৫ হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল।

এখন সুমেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার নিচে নেমে যাওয়ায় সে জমির অধিকাংশই জেগে উঠেছে।

তিনি আরো জানান, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল আর না হলে ওই জমির ক্ষতির সম্ভাবনা কম। ফলনেও তেমন প্রভাব পড়বেনা।

দূর্গাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিনয় চন্দ্র শর্মা জানান, কৃষি জমির সঙ্গে ওই উপজেলার ১২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকেছিল। তিনদিন বিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস নেওয়া বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেসব বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে ক্লাস শুরু হবে।

দূর্গাপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) টিসিও ইমদাদুল হক শুক্রবার সকালে জানান, সুমেশ্বরীর পানি বিপদসীমার অনেক নিচে নেমে গেছে। ফলে কৃষি জমির যে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল তা আর হবেনা। তবে যেসব মাছ চাষীদের মাছের ঘের ভেসে গেছে সরকারি উদ্যোগে তাদের পুনর্বাসন করা উচিত বলে জানান তিনি।

দূর্গাপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেলাল উদ্দিন জানান, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। পানি জেগে উঠার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

এছাড়া পানিবাহিত রোগ যেন এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্যে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকদের সতর্ক ও পরামর্শ দিচ্ছেন।

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ