জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা এবং পুলিশের কন্ট্রোল রুম। সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছেন র‌্যাব, পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও জাতীয় ঈদগাহে জামায়াতে নামাজ আদায় করবেন বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য ও কূটনীতিক ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ১ লাখ  মানুষ। একই সঙ্গে ৮ হাজার মহিলার নামাজের পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রায় ২ লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুট আয়তনের জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্যান্ডেল তৈরির কাজে ৮০জন শ্রমিক নিয়োজিত। ঈদগাহ ময়দান পরিপাটি ও সৌন্দর্য বর্ধন, ঈদগাহ মাঠ সাজানো ও নামাজের সুব্যবস্থার দায়িত্বে আছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান  মেসার্স পিয়ার সর্দার অ্যান্ড সন্স  ডেকোরেটর।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি  করপোরেশনের  প্রধান সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম জাতীয় ঈদগাহের  দায়িত্বে  নিয়োজিত রয়েছেন।

তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের সুবিধার্থে ৪৭০টি সিলিং ফ্যান ও ৪৬৪টি বাতি লাগানো হচ্ছে। ঈদগাহের পূর্বপাশে থাকবে পানি ও অজুখানার ব্যবস্থা। অজুখানায় এক সঙ্গে ১৬০ পুরুষ মুসল্লি অজু করতে পারবেন।

তিনি বলেন,  ভিআইপি মুসল্লিদের জন্য একটি টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। এবারও ঠিকাদারকে বিল দিতে হবে প্রায় ৫৭ লাখ টাকা।

এদিকে প্যান্ডেলের  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার  মো. মোজাম্মেল হক  বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আমরা ঈদের নামাজের জন্য ঈদগাহ প্রস্তুতির কাজ পেয়েছেন। গত ৯ বছর ধরে  জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্যান্ডেলের কাজ করে আসছেন। রোজার ঈদের জামায়াতের সামগ্রি এবারও ব্যবহার করা হচ্ছে। প্যান্ডেলের উপর ত্রিপল টাঙ্গানোর হয়েছে, যাতে বৃষ্টিতে মুসল্লিদের সমস্যা না হয়। এছাড়া বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য রাখা হয়েছে  ড্রেনেজ ব্যবস্থা।

সরেজমিন দেখা গেছে, ঈদগাহ ময়দানকে সুসজ্জিত করতে প্যান্ডেলে লাইটে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য মাঠের বাইরের অংশে নতুন করে চুনকাম করা হয়েছে এবং চারপাশের লোহার তৈরি বেড়াকে বড় করা হয়েছে। এছাড়া ঈদগাহ ময়দানজুড়ে সার্বিক নিরাপত্তা বলায় গড়ে তুলবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ জন্য ইতোমধ্যেই ঈদগাহ মাঠের চারপাশে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা দিয়ে সারাক্ষণ পর্যবেক্ষণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

একে, জেএ