কুমিল্লার দাউকান্দি উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকায় এবার বাঙ্গির বাম্পার ফলন হয়েছে । জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
কুমিল্লায় দাউদকান্দি উপজেলার টামটাসহ বিভিন্ন গ্রামে বাঙ্গির চাষ হয়। মাঠের পর মাঠজুড়ে বাঙ্গি দেখা যায়। সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মৌসুম শুরু হয়। সুমিষ্ট ঘ্রাণ মৌসুমজুড়ে চলতে থাকে। এখন বাঙ্গি বিক্রির মৌসুম।
ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। এখানকার বাঙ্গি গোলাকার, অনেকটা মিষ্টি কুমড়ার মতো। এ প্রজাতির বীজ চীন থেকে এসেছে বলে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে। এ কারণে এটির নাম চীনা বাঙ্গি।
টামটা গ্রামের কৃষকেরা বলেন, বংশপরম্পরায় ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে বাঙ্গি চাষ হচ্ছে। তাঁদের দ্বিতীয় অর্ধকরী ফসল বাঙ্গি। টামটা গ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশেই বসে বাঙ্গির পাইকারি বাজার। ভোর ছয়টায় শুরু হয়ে বাজার শেষ হয় সকাল নয়টায়।
ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকারি ক্রেতারা এ ফল কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যান। এ বাজারে ১০০ বাঙ্গি বিক্রি হয় এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায়। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে আকারভেদে প্রতিটি বাঙ্গি খুচরা বিক্রি হয় ২০ থেকে ৬০ টাকায়।
টামটা গ্রামের কৃষক ধনু মিয়া বেপারী বলেন, ১২০ শতাংশ জমিতে বাঙ্গির চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। বিক্রি হয়েছে লাখ খানেক টাকা। ফলন ছোট হওয়ায় এবার লাভ কম হয়েছে।
দাউদকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বেলে দো-আঁশ মাটিতে বাঙ্গি ভালো জন্মে। জেলার দাউদকান্দি ছাড়াও চান্দিনার নাওতলা, মেঘনার চরাঞ্চল বিনোদপুর ও তিতাসের বিভিন্ন স্থানে বাঙ্গি চাষ হয়।
এম আর





