ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকায় মইকিংয়ের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

দুর্যোগ পরিস্থিতির কারণে জেলার শরণখোলা ও মংলা উপজেলায় পৃথক দুটি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। পাশাপশি ঘূর্ণিঝড় কোমেন মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতুল মন্ডল জানান, শরণখোলায় এখন প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলার সর্ব দক্ষিণের ইউনিয়ন সাউথখালীর বলেশ্বর নদীতীরের লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় কন্ট্রোলরুম ছাড়াও মেডিকেল টিম ও সেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বলেশ্বর নদী এবং বিভিন্ন ছোট ছোট খালে আশ্রয় নেওয়া জেলেদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উপজেলার বলেশ্বর নদীতে নির্দিষ্ট সময়ের আগে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভাটা শুরু হয়েছে। এ কারণে রাতে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা কম। তবুও তারা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

মংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পিআইও নাজমুল আলম জানান, লোকজনকে সতর্ক করতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মংলা পৌরসভার পক্ষ থেকেও মাইকিং করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি একটি মেটিকেল টিম ও সেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে বুধবার সন্ধা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি মাঝে মাঝে দমকা বাতাস বইছে বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকায়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা আহ্বান করেছেন বাগেরহাটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম।

কেএইচ