রাজধানীতে দুই শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। খিলগাঁওয়ে পাশবিক নির্যাতনের শিকার শিশুটির বয়স চার বছর এবং রামপুরায় পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে তিন বছরের এক শিশু।
শুক্রবার তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমিনুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় খিলগাঁও পূর্ব গোড়ানের ৯ নম্বর রোডের একটি বাসায় সাড়ে চার বছরের এক শিশু পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়। ওই শিশুর চাচা আবুল কালাম জানান, সকালে শিশুটিকে বাসায় রেখে তার মা-বাবা বাইরে যান। এ সময় ওই বাড়ির পাশের ভাড়াটিয়া আমিনুল ইসলাম শিশুটির ঘরে গিয়ে তাকে নির্যাতন করেন। শিশুটি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে দুপুর ২টায় শিশুটিকে ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।
খিলগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সিদ্দিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আমিনুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে।
এদিকে, গত বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পশ্চিম রামপুরা ওয়াপদা রোডে তিন বছরের একটি শিশু পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। শিশুটির খালা আমেনা বেগম জানান, রাতে শিশুটির মা তাকে ঘরে রেখে রান্না করতে যায়। কিছুক্ষণ পর শিশুটি চিৎকার দিয়ে ওঠে। এ সময় ঘরে গেলে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাসার ভাড়াটিয়া রবিউলের (১৮) নাম বলে। তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে বাড়িওয়ালী তাদেরকে থানায় যেতে দেয়নি, এমনকি হাসপাতালেও যেতে দেয়নি। বাড়িওয়ালী বলেছেন যা হওয়ার হয়েছে, আমি মীমাংসা করে দেবো। একপর্যায়ে ধর্ষক রবিউল বাসা থেকে পালিয়ে যায়। শুক্রবার দুপুরে আত্মীয়-স্বজনরা শিশুটিকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করে।
রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর ভূঞা জানান, এ ঘটনায় মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইআর





