রংপুরের সেন্ট্রাল রোড শাখার অগ্রণী ব্যাংকের অফিস সহকারী আলাল হোসেনের (৪০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ মার্চ) সকালে নগরীর ১৪নং ওয়াডের দেওডোবা এলাকার একটি সেচ পাম্প ঘরের ভেতর থেকে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের জেরে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত আলাল ওই ওয়াডের ডাঙিরপাড় গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী আজেদা, শাশুড়ি ফাতেমা ও বড় মেয়ে আশিকী আক্তারসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও আলালের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ‘আলালের সাথে তার স্ত্রী আজেদা পারভীনের প্রায়ই ঝগড়া হতো। এর আগে আজেদা ২-৩ বার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে পালিয়েও গিয়েছিলেন। সম্প্রতি আলাল দেওডোবা কুড়ারপাড় এলাকায় জমি লিজ নিয়ে মাছ ও গরুর খামার করে সেখানেই স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছিলেন। গত সোমবার পার্শ্ববর্তী পাঠানপাড়া এলাকার এক কবিরাজের সঙ্গে স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন আলাল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এরপর আজ তার মরদেহ পাওয়া গেল’।
এ বিষয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল মিয়া বলেন, ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে কে এই হত্যার সাথে জড়িত। তার পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।
ইভান/জেড





