সারা দেশে শিশু হত্যা-নির্যাতন বন্ধ ও শিশু নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ইসলামী ঐক্য আন্দোলন এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম।
একইসঙ্গে এসব সংগঠনের নেতারা শিশু নির্যাতন ও হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিশু নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে এক মানববন্ধন-সমাবেশের আয়োজন করা হয় । ইসলামী ঐক্য আন্দোলন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম মানববন্ধন-সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে শিশু কিশোর মেলার নেতারা বলেন , গত চার বছরে ১০৮৫ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিদিনই শিশু নির্যাতন , ধর্ষণ বা হত্যার খবর সংবাদপত্রে দেখা যাচ্ছে। এমন আরো অনেক শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে যা সংবাদপত্রে দেখা যাচ্ছে না। প্রত্যেক বছর বেড়েই চলেছে শিশু নির্যাতন। তুচ্ছ ঘটনায় শিশুকে নির্যাতন করা হচ্ছে।
শিশুর জন্য নিরাপদ একটি মানবিক সমাজ গঠন করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতারা। সেই আন্দোলনে সবাইকে শামিল হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সামসুন্নাহার জোৎস্নার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন –বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান ,বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জাহেদুল হক মিলু,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা নিত্রা,সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শম্পা বসু প্রমূখ।
এদিকে ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের পক্ষে সংগঠনটির ঢাকা মহানগরী আমির মোস্তফা বশীরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মওলানা মুহাম্মদ রুহুল আমিন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক মোস্তফা তারেকুল হাসান প্রমুখ।
নেতারা বলেন, শিশু নির্যাতনের দ্রুত বিচার আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি হত্যা ও সন্ত্রাস রোধে ধর্মীয় চেতনাকে শিক্ষার সর্বস্তরে সিলেবাসভুক্ত করতে হবে।
নেতারা আরো বলেন, সারা দেশে শিশু নির্যাতন ও হত্যার যে তাণ্ডব শুরু হয়েছে দেশবাসী তা থেকে মুক্তি চায়। দেশে অব্যাহত খুন, গুম, নির্যাতন ও দুর্নীতির কোনো সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় নিষ্পাপ শিশু হত্যার মতো অভিশাপ নেমে এসেছে। কুরআনি আইন অনুযায়ী মানুষ হত্যার বিচার প্রবর্তন করা হলেই সমাজ ও রাষ্ট্র এ জাহেলিয়াত থেকে রক্ষা পেতে পারে ।
এআই





