হজ ব্যবস্থাপনায় তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'আমরা বলেছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সে কথা অনুযায়ী হাজীদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে দেয়া হয়েছে। তারা সব তথ্য ওয়েবসাইট থেকেই জানতে পারবেন।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর আশকোনায় হজ ক্যাম্পে হজ কার্যক্রম ২০১৪ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সব সময় ইসলামের প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট বলে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। জীবনকে উন্নত করার ধর্ম এটি। এটি বিশ্বে শান্তির ধর্ম হিসেবেই পরিচিত পাক আমরা সেটাই চাই। তাই আওয়ামী লীগ সব সময় ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে সঠিকভাবে ইসলাম বুঝতে পারে সেজন্য আওয়ামী লীগ সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রতিটি মসজিদে মক্তব চালু করা হয়েছে। যাতে করে মানুষ শুদ্ধ করে কোরআন শিখতে পারে। তাছাড়া ঘোষিত শিক্ষা নীতিমালায় নামাজ শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও ইসলামের প্রচারে সচেষ্ট ছিলেন। তার আমলেই এদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশন চালু করা হয়, ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে বাংলাদেশ।

 

বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর পরই এদেশে মদ-জুয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এদেশে একটা সময় মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো। আওয়ামী লীগ সরকার আবার তা চালু করেছে, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

তিনি হাজিদের সুস্থভাবে পবিত্র হজ পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, হাজিদের জন্য সরকার সবসময় সবকিছু করতে প্রস্তুত রয়েছে।

 

সরকার যথেষ্ট আন্তরিকভাবে হাজিদের জন্য হজযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে, তারপরও যদি কোনো ভুলক্রটি থাকে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য হাজযাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকা, ২৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ