চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ নৌপথে মাত্রাতিরিক্ত কচুরিপানা জটের কারণে নৌযান চলাচল করতে পারছে না। ফলে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছে।

ফরিদগঞ্জ-চাঁদপুর নৌপথের দূরত্ব প্রায় ১৭ কি.মি.। পুরো নৌপথটি ডাকাতিয়া নদী। বর্তমানে জটিল আকার ধারণ করেছে কচুরিপানা। পুরো নদী কচুরিপানা দিয়ে এমনভাবে বেষ্টিত যে পায়ে হেঁটে নদী পার হওয়া সম্ভব। চাঁদপুর থেকে ৩/৪শ’ মণ মাল নিয়ে এক একটি নৌকা চান্দ্রা, টুবগী, গাজীপুর হয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরে আসত। সম্প্রতি এ পথে মাত্রাতিরিক্ত কচুরিপানার জটে নৌ পথটি বন্ধ হয়ে গেছে।

নৌচালকরা জানান, ৩০/৩৫টি নৌকা এ পথে এক সময় চললেও এখন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি। স্থল পথে মালামাল বহনে ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল বলে ব্যবসায়ীরা জানান। সরকার প্রতিবছর ডাকাতিয়া নদীতে জেলে পরিবারগুলোর কথা চিন্তা করে মাছের পোনা অবমুক্ত করে। কচুরিপানা পচে পানি দুর্গন্ধ হয়ে মড়ক লেগে লাখ লাখ টাকার মাছ নষ্ট হচ্ছে।

ডাকাতিয়া নদী সংস্কার ও উত্পাদনমুখী কর্মকাণ্ডে লাগানোর জন্য সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. শামছুল হক ভূইয়া ৪শ’ ৬৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে ডাকাতিয়া নদীকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো ও পর্যটন এলাকায় পরিণত করা যাবে বলে সংসদ সদস্য জানান।

উপজেলা মত্স্য সম্পদ কর্মকর্তা মো. মাহমুদ মোস্তফা জানান, কচুরিপানা অপসারণের জন্য সরকারি বড় ধরনের প্রকল্প দিয়ে পানি ও পরিবেশ দূষণমুক্ত ও জেলে পরিবারের টিকে থাকার জন্য ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

জেআই