কুয়াকাটায় বসত বাড়ি-ঘর,বাউন্ডারী ওয়াল ভাংচুর করে দিনে দুপুরে ফাকাঁ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ২৬ শে এপ্রিল বিকাল ৪ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত এ তাণ্ডব চালায় বলে এমন অভিযোগে এনে সংবাদ সম্মেলন করেন হত দরিদ্র কৃষক আঃ মজিদ হাওলাদার ও তার পরিবারবর্গ।

আজ ২৯ এপ্রিল শুক্রবার সকালে ১০টায় হোসেনপাড়াস্থ তাদের ভোগদখলীয় বসত ভিটায় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জে,এল নং-৩৪, মৌজা-লতাচাপলী এস,এ ৯৫২নং খতিয়ানের ৬৩২১/৬৩৩২নং দাগসহ অপর ৬ টি দাগের অংশ হতে ৯৬ শতাংশ জমি আমার পিতা খরিদসূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্নভাবে ভোগ দখল করে নিজ নামে রেকর্ড সংশোধন করে দীর্ঘ ৭৫ থেকে ৮০ বছর যাবত বসবাস করে আসছে। বাবার মৃত্যুতে আমিসহ আমার কতিপয় ওয়ারিশগণ তফসিল বর্ণিত জমি ভোগ দখল করি।

তিনি আরও বরেন, আমি আমাদের জমিতে বাড়ির দরজায় লোহার গেট এবং বাড়ির সিমানায় ওয়াল নির্মান করে বসত ঘরে শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করতে থাকি। অতিব দুঃখের বিষয় গত ২৬ এপ্রিল সন্ত্রাসী ওহিদুজ্জামান শাহিন ও তার দলবলসহ সংঘঠিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়ির লোহার গেট অবৈধভাবে ভাংচুরকরে। ভাংচুর কাজে সহযোগিতা করেন স্থানীয় জাপা নেতা আনোয়ার হাওলাদার।

আমি ও আমার পরিবারবর্গ তাদেরকে নিষেধ করলে আমাদেরকে বেড়করে দেয়। এবং বাড়ি ঘর ভেঙ্গে ট্রাক এনে ঘরবাড়ির মালামাল নিয়ে মৎস্যবন্দর আলীপুর মেসার্স শ্রাবনী স্টোর শেরাজুল সিকদারের কাছে বিক্রি করেন। নিরুপায় আঃ মজিদ ও তার পরিবারবর্গ ২৭ এপ্রিল কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। প্রশাসন এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।

এ ব্যাপারে জাপা নেতা আনোয়ার হাওলাদার বলেন, ঘটনাস্থলে লোকজন দেখে আমিও সেখানে দেখতে গেছি বাড়িঘর ভাংচুরের ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা।

এ ব্যাপারে ওহিদুজ্জামান শাহিন বলেন, আমি কুয়াকাটয় জমি কিনে কি অপরাধ করলাম জানিনা যখনই আমার জমিতে কাজ করতে যাই তখনই আমার কাজে বাঁধা দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, যারা জমির মালিকানা দাবী করেন তাদের বাবা রেয়াজ উদ্দিন জমি বিক্রি দিয়েছে রফেজ উদ্দিন ও আমি ওয়াহিদুজ্জামানের কাছে। তাহলে তারা এখন ওয়ারিশ দাবী করে কি ভাবে। তারপরও যদি তারা দাবী করে তাহলে কগজপত্র নিয়ে বসুক বরং আমি ৫ একর ৮৮ শতাংম জমি ক্রয় করে এখন পর্যন্ত ৫৬ শতাংশ জমি পায়নি।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জি এম শাহ-নেওয়াজের কাছে জানতে চাইলে টাইমনিউজকে বলেন, মামলার তদন্ত চলছে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এইচ ই