চলতি বছরের জানুয়ারিতে সরকার আমদানিকৃত সম্পূর্ণ তৈরি মোবাইল ফোনের কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনে। এতে ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর ও অন্যান্য করসহ মোট করভার কমে ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশে নেমে আসে। তবে এ সুবিধা ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত।

মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) দাবি, শুল্ক-সুবিধার মেয়াদ আর না বাড়ানো হলে আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ওপর মোট করভার বেড়ে ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে। এর ফলে বাজারে আমদানি করা স্মার্টফোনের দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, কর বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি খুচরা বাজারে পড়বে। ফলে নতুন স্মার্টফোন কিনতে গ্রাহকদের আগের তুলনায় কয়েক হাজার টাকা বেশি খরচ করতে হতে পারে।

এমআইওবি ইতোমধ্যে শুল্ক-সুবিধার মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে চিঠি দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে আগামী কয়েক দিনের সরকারি সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে মোবাইল ফোনের বাজার।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুল্ক-সুবিধা বহাল না থাকলে করের বাড়তি চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই এসে পড়বে। এতে আমদানিকৃত স্মার্টফোনের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

এস