বকেয়া বেতন পরিশোধ ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনকে (বিআরটিসি) রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করাসহ নয়টি দাবিতে মানববন্ধন করেছে সংস্থাটির বিভিন্ন ডিপোর শ্রমিক-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারীদের আয়োজনে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিআরটিসি’র প্রধান কার্যালয়ের সঙ্গে সকল ডিপোর বেতন একই দিনে পরিশোধ এবং সব শ্রমিক-কর্মচারীদের এলপিআরে যাওয়ার পর পাওনা টাকা তিন মাসের মধ্যে পরিশোধ। আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রশাসনিকভাবে যেন কোনো হয়রানি করা না হয় সে ব্যবস্থা করা।

বক্তারা বলেন, বিআরটিসি একটি সেবামূলক রাষ্ট্রীয় সংস্থা। এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি নাগরিকদের সুবিধা দিতেই এটি প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা শ্রমিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য, মহিলাদের জন্য ফ্রি সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি। শুধু তাই নয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় লাগাতার হরতাল-অবরোধের মাঝে শ্রমিক কর্মচারীরা তাদের পরিবারের কথা না ভেবে সরকারের সুনামের কথা চিন্তা করে জীবন বাজি রেখে ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালিয়ে আসছে। কিন্তু আজ আমরা ভালো নেই।

কারণ শ্রমিক-কর্মচারীদের ১০/১২ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে, এমন কি চাকরি শেষে পেনশনের টাকা ৮/১০ বছর ঘুরেও পাওয়া যায় না। এমন অবস্থায় চলতে বিআরটিসির উপর থেকে শ্রমিক-কর্মচারীদের আস্থা উঠে যাবে। তাই শ্রমিকদেরকে বাঁচাতে বিআরটিসিকে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করা ও সকল শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

বক্তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সরকারি এ পরিবহন সংস্থা আছে বলেই সারাদেশের পরিবহন জগতে ভারসাম্য বজায় আছে। এজন্য বিআরটিসিকে রাজস্ব খাতে বা বাজেটের আওতায় আনা দরকার।

মানববন্ধনে বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপোর প্রায় দেড় শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

এসএম