ঈদুল আজহার আগের ৩দিন ও পরের ৩দিন নিত্যপণ্য ও কোরবানির পশুবাহী ট্রাক ছাড়া ফেরিতে সাধারণ ট্রাক এবং কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আজ (২১ জুলাই) রোববার বিদ্যুৎ ভবনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে লঞ্চ-ফেরি-অন্যান্য জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। নৌ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, এসময়ে সব ধরনের মালবাহী জাহাজ ও বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল করতে পারবে না। আর ঈদের আগের ও পরের পাঁচদিন দিনের বেলায়ও বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ঈদুল ফিতরের সময় যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতে মন্ত্রণালয় একটি টিমওয়ার্কের মাধ্যমে ভাল কাজ করেছিল।
এবারের ঈদুল আজহায়ও সবাই মিলে ঈদযাত্রাকে আরও নিরাপদ রাখতে চাই জানিয়ে তিনি বলেন, অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও আমাদেরকে আরও দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, কোরবানির পশু আনতে নৌ-পথে অনেক সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বেশি নজর দিতে হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ, বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান প্রণয় কান্তি বিশ্বাস, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম, নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, নৌ-পুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলাম, কোস্ট গার্ড ঢাকা জোনের কমান্ডার রেজাউল হাসান, বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার, লঞ্চ মালিক, নৌযান শ্রমিক নেতারা।
এমবি





