অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলের বিয়েতে বাধা দিয়েছেন অভিভাবক। এতে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র খালিদ হাসান জিম।
শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) নাটোর জেলার বাগাতিপাড়ার জামনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
জিম রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলো। একই এলাকার নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মীমের (ছদ্ম নাম) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুইজনে সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ে করার।
জিমের বাবা বাগাতিপাড়া সরকারি ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক ও মা জামনগর ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক। তারা অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলের বিয়ে করার সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করেন এবং ওই মেয়ের সাথে সম্পর্ক বাদ দিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে চাপ দেন।
এতে ছেলের মনে অভিমান জমে। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে নিজ বাড়িতে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে জিম। পুলিশ ওইদিন রাতেই লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয়।
পরদিন শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে ময়না তদন্তের জন্য লাশ নাটোর আধুনিক হাসপাতালে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে শনিবার দুপুরে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হলে দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার দায়িত্বে থাকা অফিসার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) স্বপন কুমার চৌধূরী বলেন, “এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।”
এমবি





