জনতা ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় প্রায় পনের কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চ এম.ভি সুন্দরবন-১০ এর শুভ উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
তিনি বলেন, এর ফলে যাত্রীরা স্বল্প খরচে এবং মাত্র পাঁচ ঘন্টায় ঢাকা টু বরিশাল নিরাপদে যাতায়াত করতে পরবে। এতে রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ খুব সহজ হবে এবং ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনের দার উন্মোচন হবে বলে আশা করা যায়।
শনিবার ঢাকার সদরঘাটে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চ এম.ভি সুন্দরবন-১০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি, বীর বিক্রম, জনাব মাহাবুব উদ্দিন আহম্মেদ। এতে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু প্রধান অতিথি ছিলেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী। এ সময় বরিশালের এম.পি, জনাব তালুকদার মোঃ ইউনুস, বেগম জবুন্নেছা আফরোজা এম.পি, নৌ পরিবহন সচিব এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ও লঞ্চটির মালিক, জনাব সাইদুর রহমান রিন্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, লঞ্চটি আধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা বরিশালে স্থানীয়ভাবে নির্মিত হয়েছে। লঞ্চটি ৩০০ ফুট লম্বা এবং ৫০ ফুট প্রশস্থ। এর যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ১ হাজার ৪০০ জন। লঞ্চটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক সুবিধাসহ কেবিন ও সুপরিসর ডেপ। লঞ্চটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও সিসি ক্যামেরার আওতাভূক্ত। এতে রয়েছে শিশুদের জন্য বিনোদন স্পেস, ফুডকোর্ট, ফার্মেসী, আধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত লাইফবয়া ও জ্যাকেট এবং ফ্রি ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা। ফলে যাত্রীরা লঞ্চটিতে সাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, সাড়ে তিন তলা বিশিষ্ট বাংলাদেশে এ প্রথম ক্যাপসুল লিফ্ট কোনো যাত্রীবাহী লঞ্চে সংযোজন করা হলো। লঞ্চটিতে রয়েছে আধুনিক জিপিএস সিন্টেম। এর ফলে লঞ্চে চলাচলকালীন সময়ে ক্যাপ্টিন পানির ভেতরে সব কিছু দেখে লঞ্চটি নিরাপদ গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারবে। লঞ্চটি হাইড্রলিক পদ্ধতিতে চলবে এবং এর রাডার ব্যবস্থা কুয়াশার মধ্যেও লঞ্চটিকে নিরাপদে চলতে সাহায্য করবে।
এমআইএস





