রোববার (১৭ মে) সকাল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনের সামনে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করেন একদল বাইকার। পরে তাদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভেতরে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়।

প্রতিনিধি দলের সদস্য একেএম ইমন বলেন, এনবিআরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং বিষয়টি সৌজন্যমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মিডিয়ায় যেভাবে করের পরিমাণ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা বাইকারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলবে—সেটি বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাইকাররা আগে থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে কর দেন—মোটরসাইকেল কেনার সময়, রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি হিসেবে। তাই নতুন করে অতিরিক্ত আয়কর তাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে বলে তারা মনে করেন।

ইমন জানান, তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে কোনো ধরনের অতিরিক্ত আয়কর তারা মানতে রাজি নন। একই সঙ্গে তারা বলেন, ঢাকা শহরে বাইক চালাতে হলে এমন কর আরোপ তারা মেনে নেবেন না।

অন্যদিকে, এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে প্রস্তাব অনুযায়ী ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল করমুক্ত থাকবে। তবে ১১১ থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসি পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি হলে বছরে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের আলোচনা চলছে।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে বর্তমানে সরাসরি আয়কর না থাকলেও নতুন অর্থবছর থেকে এ খাতে অগ্রিম আয়কর আরোপের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

এস