মঠবাড়িয়ায় গতকাল (সোমবার) দিনভর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সন্ধ্যায় গুলিবিদ্ধ হয়ে লিটন পন্ডিত (৩৫) নামের এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন।
লিটন পন্ডিত পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমির হোসেন পন্ডিতের ছেলে । সোমাবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সোমবার সকালে মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল আহসান টুকুকে (৫০) লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে একদল দুর্বৃত্ত।
এলাকাবাসী মারাত্মক আহত অবস্থায় টুকুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দুপুরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে নাজমুলের আহসান টুকুর কর্মীরা আল আমীন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখম করে।
এখরব ছড়িয়ে পড়লে পৌর মেয়র উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি রফউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস ও উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমান পক্ষের সমর্থকের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাব্যাপী চলমান সংঘর্ষ আওয়ামীলীগ অফিস ছাড়িয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় দুই গ্রুপ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গোলাগুলিতে লিপ্ত হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। সংঘর্ষে যুবলীগ কর্মী মো. লিটন পঞ্চাইত, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম রাজু(২৬), সিদ্দিক হোসেন (৪৮), শিশু রাশেদ (১০), ফারুক হোসেন (৪৬)। গুলিবিদ্ধ হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় লিটনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লিটন পঞ্চাইত উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমানের সমর্থক বলে জানাগেছে।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটানায় শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। (সূত্র: মঠবাড়িয়া নিউজ.কম)
আহতদের ছবি নিচে
আহত ১০বছরের শিশু রাশেদ
আহত উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রিড়া সম্পাদক টুকু পহলান
আহত সিদ্দিক
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টহল জোরদার
কেবি





