বর্ষাকাল না আসতেই যমুনা নদীর ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।এটি তীব্র আকার ধারন করেছে গাইবান্ধার সাঘাটায়। গত ১ মাসের ভাঙনে সাঘাটা-ঘুড়িদহ-হলদিয়া ও ভরতখালী ইউনিয়নের ২৫০ পরিবারের ঘর-বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

হুমকিতে পড়েছে স্কুল, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদসহ ঘর-বাড়ি, ফসলী জমি। ফলে নদী কূলের মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে ভাঙন আতঙ্ক।

সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিউজ্জামান ভূইয়া ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

সাঘাটা উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদীর তীর বর্তী ভরতখালী, সাঘাটা, ঘুড়িদহ ও হলদিয়া ইউনিয়নে ভাঙন শুরু হয়েছে। গত ১ মাসের ব্যবধানে ভাঙনে ভরতখালী ইউনিয়নের ৮৮ পরিবার, সাঘাটা ইউনিয়নের ৭৩ পরিবার, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ১২ পরিবার, হলদিয়া ইউনিয়নের ৭৩ পরিবারের ঘর-বাড়ি ও সাঘাটা-হলদিয়া সড়কসহ ১টি সুইচ গেট নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গৃহহারা পরিবারগুলো বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কানাইপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, হলদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলদিয়া জামে মসজিদ, বাঁশহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হুমকীর মুখে পড়েছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার জানান, ভাঙ্গন প্রতিরোধের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে এবং জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করার জন্য আগাম টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। ওয়ার্ক ওর্ডার হওয়া মাত্রই শুরু করা হবে।

এআই