নোয়াখালীর সেনবাগে প্রেমিকা অর্চনাকে কুপিয়ে হত্যার পর নিজের শরীরের একাধিক স্থানে ছুরি দিয়ে ক্ষত-বিক্ষতকারী রিপন চন্দ্র দাস (২৫) মারা গেছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত রিপন চন্দ্র দাস উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের নলদিয়া গ্রামের তকন চন্দ্র দাসের ছেলে।
নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফরিদ উদ্দিন বলেন, রিপনের শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত হয়েছিল। তিনদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়েছে।
সেনবাগ থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলাম রিপনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অর্চনা রানী দাস হত্যার ঘটনায় তার ভাই বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার প্রধান আসামি ছিল রিপন চন্দ্র দাস।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার সকালে অর্চনা তাদের ঘরের মধ্যে সেলাই মেশিনে কাজ করছিল। এ সময় রিপন একটি ধারালো ছুরি নিয়ে তাদের ঘরে ভেতরে ঢুকে অর্চনাকে কুপিয়ে জখম করে। পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় রিপন ওই একই ছোরা দিয়ে নিজেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে অচেতন হয়ে যায়। পরে অচেতন অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
কেএইচ





