বরিশাল সদর আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ জেবুন্নেসা আফরোজের অসাবধানতায় শটগানের গুলির স্পি্নন্টারে জখম হয়েছেন তার মামাতো ভাই ও নগর আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান কুট্টি।
সোমবার দুপুরে সাংসদের বাসভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটার পর কঠোর গোপনীয়তা সত্ত্বেও গতকাল মঙ্গলবার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। তবে এমপি জেবুন্নেসা আফরোজ তার বাসভবনে কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি এবং কেউ আহত হননি বলে জানিয়েছেন।
সাইদুর রহমান কুট্টি দাবি করেছেন, তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন, শটগানের গুলিতে নয়।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানায়, আগ্নেয়াস্ত্রটি সোমবার দুপুরে নগরীর নূরিয়া স্কুলসংলগ্ন বাসায় নেওয়ার পর সাংসদ জেবুন্নেসা সেটি নেড়েচেড়ে দেখছিলেন। শটগানটিতে গুলি লোড করা আছে তা তার জানা ছিল না। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত শটগান থেকে গুলি বেরিয়ে দেয়ালে লাগে।
এ সময় সেখানে থাকা সাংসদের আপন মামাতো ভাই মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য সাইদুর রহমান কুট্টি স্পি্নন্টারে জখম হন। স্পি্নন্টারগুলো কুট্টির মুখমণ্ডল, কাঁধ, হাত, পিঠ ও কানে বিদ্ধ হয়। তাকে বাংলাবাজার এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ক্লিনিকের এক কর্মচারী সাংবাদিকদের বলেছেন, অস্ত্রোপচার করে কুট্টির শরীর থেকে পাঁচ-ছয়টি স্পি্নন্টার বের করা হয়েছে। রাতে ক্লিনিক থেকে গোপনে কুট্টিকে তার গোরস্তান রোডের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। কুট্টির বাসায় গিয়ে আহত এবং শয্যাশায়ী অবস্থায় তাকে দেখতে পান সাংবাদিকরা।
আহত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। গুলির স্পি্নন্টারবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, সাংসদের বাসায় গুলির ঘটনার একটি খবর শুনে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তবে এ রকম ঘটনার কোনো আলামত তিনি পাননি।
ইআর





