প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালী করণ কর্মসুচীর আওতায় ৬৪ জেলায় ১২৫০ টি ব্রাঞ্চের ১৮ হাজার ৯৫০ টি শিক্ষাকেন্দ্রে ১৮ হাজার ৯৫০ জন শিক্ষা সেবিকার মাধ্যমে শিশু প্রথম ও দিতিয় শ্রেনীতে অধ্যায়নরত ছাত্রছাত্রীদের পাঠদানে সহায়তা করা হচ্ছে।
এছাড়া ২০২০ সালে ৭টি ব্রাঞ্চ, ৯টি শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সহায়তা করা হচ্ছে।
সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসুচীর অংশ হিসেবে বেসরকারী সংস্থা আশা ২০১১ সাল থেকে এ কর্মসুচী বাস্তবায়ন করছে।
বুধবার সকালে মাগুরা শ্রাবনী কমিউনিটি সেন্টারে শিক্ষা সেবিকা সম্মেলন ও কর্মশালায় এ তথ্য জানান আশার কর্মকর্তারা।
আশার ডিরেক্টর (প্রগ্রাম) মোঃ আবু হাসনাত চৌধূরীর সভাপতিত্বে উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুমারেশ চন্দ্র গাছি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জয়েন্ট ডেপুটি ডিরেক্টর মোঃ শেখ ওবায়দুল্লাহ।
এ ছাড়া মাগুরা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলম, উক্ত কর্মসুচির শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবু সাঈদ, কুষ্টিয়া ডিভিশনের ডিভিশনাল ম্যানেজার উত্তম কুমার ভৌমিকসহ আশার বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। কর্মশালায় জানান হয় কর্মসুচীর আওতায় বর্তমানে ৫ লাখ শিক্ষার্থীকে আনা হয়েছে। আর এ জন্য ২০১৯ - ২০ অর্থ বছরে ৪৮ কোটি ৩২ লাখ ২৯ হাজার ৩৪১ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মাগুরা জেলায় ১৬ টি ব্রাঞ্চের মাধ্যমে ২৫৫ টি শিক্ষাকেন্দ্রে ২৫৫ জন শিক্ষা সেবীকার মাধ্যমে ৭হাজার ২শ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান সহায়তা করা হচ্ছে।কর্মশালায় মাগুরা জেলার ৮টি ব্রাঞ্চের ৮জন শিক্ষা সুপারভাইজার, ১০০ টি শিক্ষা কেন্দ্রের ১০০ জন শিক্ষা সেবীকাকে নিয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সাইফুল্লাহ/এএস





