মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর তেজগাঁর ৫শ একর জমিকে শিল্প, বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় রূপান্তর করতে আগামী দেড় মাসের মধ্যেই মাস্টারপ্ল্যান করার উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জানিয়েছেন, মহাপরিকল্পনার আওতায় সর্বোচ্চ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে নতুন করে প্লট বরাদ্দের আর সুযোগ থাকছে না।
১৯৫০ এর দশকে জমি অধিগ্রহণ করে তেজগাঁও এলাকার ৫শ একর জমিকে শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হয়। এই মুহূর্তে শিল্প এলাকার ৪৩০টি ছোট বড় প্লট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ রয়েছে।
এরমধ্যে ১৯৯৮ সালে তেজগাঁও গুলশান সংযোগ সড়কের পাশের প্লটগুলোকে ১৩টি শর্তে বাণিজ্যিক প্লট আকারে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এই এলাকার প্লটের মালিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জায়গাটি শিল্প, বাণিজ্য ও আবাসিক এলাকায় রূপান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হলো। তবে নতুন মহাপরিকল্পনার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বেলার প্রধান নির্বাহী।
তবে মন্ত্রী জানান, রাজধানীর কেন্দ্রের এ জায়গাটিকে সুপরিকল্পিতভাবে সাজাতেই এ উদ্যোগ। আর এ এলাকায় কোনো নতুন প্লট বরাদ্দ দেয়ারও সুযোগ নেই। মন্ত্রী আরও জানান মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর মহাপরিকল্পনা করতে ইতোমধ্যে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত কমিটি দেড় মাসের মধ্যে একটি মহাপরিকল্পনা করবে।
নতুন মহাপরিকল্পনায় তেজগাঁও এলাকায় আর কোনো ভারী ও শ্রমঘন শিল্প থাকতে পারবে না বলেও জানান গণপূর্ত মন্ত্রী।
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





