উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ শোলাকিয়া, প্রতি বছরের ন্যায় এবার ১৯০ তম জামাতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে এই মাঠ । জামাত শুরু হবে সকাল দশটায়, থাকছে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী।

"বড় জামাতের সাথে নামায পড়লে বেশি সওয়াব" - এই ধারনা নিয়ে দেশ বিদেশ থেকে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ্ ময়দান - Sholakia Eidga ছুটে আসে লাখ লাখ মুসল্লি। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শোলাকিয়া ঈদগাহে শুরু হয়েছে সাঝ সাঝ রব। জেলা প্রশাসন বার বার ছুটে যাচ্ছে কাজের তদারকি করতে। নেওয়া হচ্ছে অন্যান্য বছরের তুলনায় কঠোর নিরাপত্তা বলয়।

১৮২৮ সালে সাত একর আয়তন নিয়ে এই ঈদগাহ মাঠের গোড়াপত্তন হয়। এ মাঠের নামকরণের বিষয়ে জনশ্রুতি হচ্ছে, একবার প্রায় সোয়া লাখ (১লাখ ২৫হাজার) মুসল্লির আগমনে এ মাঠে জামাত হয়েছিল। সেই সোয়া লাখ থেকেই বর্তমান শোলাকিয়া নামকরণ হয়েছে। ২৬৫ টি কাতারে তিন লক্ষাদিক মুসল্লি ঈদের নামায আদায় করে।

অন্যান্য বছরের ন্যায় কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এর সংস্কার কাজ। নতুন রংয়ে দেয়াল গুলো রঙ্গিন করা হচ্ছে, তাছাড়া চলাচলের সুবিধার জন্য পার্শবর্তী সকল রাস্থাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক আজিমুদ্দিন বিশ্বাসের পরামর্শ ক্রমে শোলাকিয়া মাঠের উন্নয়ন ও সার্বিক আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন পরিদর্শনে বার বার ছুটে আসছেন মেয়র পারভেজ মাহমুদ, কিশোরগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আব্দুল আউয়াল ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল মাসউদসহ কর্মকর্তরা।

মাঠের নিরাপত্তার ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, "অতীতের চেয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে আবৃত থাকবে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ" তিনি মুসল্লিদের নির্ভয়ে নামায পড়তে আসার অনুরোধ করেন।

উল্লেখ্য, এ মাঠের রেওয়াজ অনুযায়ী দফায় দফায় শর্টগানের গুলি ছুড়ে সবাইকে নামাযের প্রস্তুতির সংকেত দেওয়া হয়।

তানভীর/জারিফ