যশোরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত শ্রমিক তৌহিদুর রহমান তরুর লাশ নিয়ে বুধবার দুপুর শহরে মিছিল করেছে পরিবহন শ্রমিকরা।

মিছিল শেষে তারা কোতোয়ালি থানার সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হকের অপসারণ দাবি করেন।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সেলিম রেজা মিঠু, সাবেক নেতা মিজানুর রহমান মিজু ও রফিকুল ইসলাম।

সমাবেশে শ্রমিক নেতারা বলেন, তরু আহত হওয়ার পর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু থানার ওসি ইনামুল হক অভিযোগ গ্রহণ করেননি। আসামিদের আটকও করেননি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ওসির ষড়যন্ত্র রয়েছে। তাই তারা অবিলম্বে খুনিদের আটক ও ওসির অপসারণ দাবি করেন।

তবে ওসি ইনামুল হক জানান, তরু আহত হওয়ার ঘটনা তার জানা ছিল না। এই ব্যাপারে কেউ থানায় সে সময় অভিযোগ করেননি। এখন অভিযোগ করা হলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

নিহতের ভগ্নিপতি আরিফুল ইসলাম শামিম জানান, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে তরুর মরদেহ যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ শহরতলীর রামনগরের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।

গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় রামনগর এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসদের হামলার শিকার হন তরু। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি ক্লিনিকে মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান তিনি।

জেআই