সম্প্রতি দুজন বিদেশি নাগরিক হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এক ধরনের সন্ত্রাসে ব্যর্থ হয়ে আরেক ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেছে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মূলত দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্যই এসব কার্যক্রম।
আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরপর এ দুটি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশের দুজন নিরীহ লোককে যেভাবে গুলি করা হয়েছে, তাতে বুঝাই যাচ্ছে দেশের অগ্রগতিকে নস্যাৎ করার জন্য তারা এটি করেছে।’
এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে জঙ্গি সংগঠন আইএসের কোনো সম্পর্ক আছে কি না জানতে চাইলে বলেন, ‘আমি আবারও জোর গলায় বলতে চাই বাংলাদেশে আইএসের কোনো অস্তিত্ব নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো জঙ্গি সংগঠনকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিইনি। সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।’
এ দুই হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি শিগগিরই এ রহস্য উন্মোচন করতে পারব। এখন যা বলা হচ্ছে তা সবই অনুমানভিত্তিক। সব ধরনের সন্দেহকে প্রাধান্য দিয়েই আমরা কাজ করছি।’
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে দুটি হত্যার ধরন একই। দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে করে এসেছে। প্রত্যেক মোটরসাইকেলে আরোহী ছিল তিনজনক করে এবং আমাদের দেশের যুবকেরাই এ কাজটি করেছে।
সারা দেশের নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, কূটনৈতিকপাড়ায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। মোটরসাইকেলের গতিনিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেখানে যাকে ও যে যানবাহনকে সন্দেহ হবে তখনই তল্লাশি চালানো হবে। ‘আমরা সারা দেশের পুলিশ সুপারকে বলে দিয়েছি এলাকার নিরাপত্তা বাড়াতে ও বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে।’তবে তিনি বলেন, আমরা জানাতে চাই এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যে এভাবে হত্যাকাণ্ড চালাতে হবে।
ইআর





