কক্সবাজারের টেকনাফে পেটে করে ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে বিষক্রিয়ার কারণে মোহাম্মদ ইসমাইল ওরফে বাঘাইয়া (১৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে । সে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়া এলাকার গুরা মিয়ার ছেলে।

রোবিবার কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তে মৃতের পেট থেকে কনডমের ভেতরে বিশেষ কায়দায় রাখা ইয়াবার পাঁচটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি মো. আতাউর রহমান খোন্দকার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে কি পরিমাণ ইয়াবা রয়েছে ওই প্যাকেটগুলোতে তা জানাতে পারেননি তিনি।

নিহতের এলাকার লোকজনের বরাত দিয়ে ওসি আতাউর বলেন, ‘পাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে কনডমের ভেতরে বিশেষ কায়দায় রাখা ইয়াবার প্যাকেটগুলো গিলে ফেলে ইসমাইল। শনিবার বিকেলে সে ওই ইয়াবা পেটে নিয়ে বাসে টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তার পেটে ব্যাথা-যন্ত্রণা শুরু হলে হ্নীলা স্টেশনে নেমে বোনের বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে সন্ধ্যার দিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ টেকনাফ হাসপাতাল থেকে লাশটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। রোববার পুলিশের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্তের পর তার পেট থেকে কনডম বের করা হয়। যার ভেতর ইয়াবার পাঁচটি প্যাকেট পাওয়া যায়।’

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সুলতান আহমদ সিরাজী ময়নাতদন্তে মৃতের পেটের ভেতর থেকে কনডমে রাখা পাঁচটি প্যাকেট পাওয়া যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ময়নাতদন্তের পর নিহতের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি আতাউর। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এমএম