ভাইয়ের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হলেন এক কিশোরী।

বুধবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী উমেদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকায় রবিন মিয়া (২০)নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার রবিন মিয়া একজন অটোরিকশা চালক। তিনি উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

আখাউড়া থানার ওসি মো. মফিজ উদ্দিন ভূইয়া এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সদর উপজেলার ওই কিশোরী বুধবার বিকালে আখাউড়ার সেনারবাদি গ্রামে ভাইয়ের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সন্ধ্যার কিছু সময় আগে সে অটোরিকশায় করে ঘুরতে বের হয়।

‘এ সময় অটোরিকশা চালক রবিন ওই কিশোরীকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সীমান্তবর্তী উমেদপুর গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে সে স্থানীয় যুবক জামাল (২৩), ইয়ামিন (১৮), জুনায়েদ (২০), সুমন (২৫) ও অজ্ঞাতপরিচয় আরো দুই ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়।’

এরপর ওই কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা পাশের বিজিবি ক্যাম্পে খবর দেয়। পরে রাত ৯টার দিকে বিজিবি মেয়েটিকে উদ্ধার করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করে বলে ওসি মফিজ উদ্দিন জানান।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় বুধবার রাতেই একটি মামলা হয় এবং অটোরিকশা চালক রবিনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

এমকে