রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম শফিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্বসহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার।

শনিবার রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৪তম বহিরাগত ক্যাডেট সাব ইন্সপেক্টর ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “সেই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের যতগুলো কারণ থাকতে পারে সবগুলোই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অগ্রগতিও হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না।”

খুব শিগগিরই এই ঘটনার মোটিভ জানা যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেন আইজিপি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাসান মাহমুদ বলেন, “একটি ঘটনা ঘটলে অনেক সময় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবেই ‘ক্লু’ উদ্ধার করতে পারে। আবার অনেক সময় দেরিও হয়। তবে দেরি হলেও ঘটনার রহস্য বের করা সম্ভব হয়। এ নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই।”

শফিউল হত্যাকাণ্ডটি পুলিশ ন্যায়, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে তদন্ত করছে এবং সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েই দ্রুততম সময়ে নিরপেক্ষ ও সঠিকভাবে এ তদন্ত কাজ শেষ করবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এর আগে তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন সালাম ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরে পুলিশের প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে পদক বিতরণ করেন।

সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ নাঈম আহমেদ। এসময় উপাধ্যক্ষ সোহরাব হোসেনসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৫ নভেম্বর ক্যাম্পাসসংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন হন লালনভক্ত শফিউল।

জেআই