উত্তরের শষ্য ভাণ্ডার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী শিম চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাণিজ্যিকভাবে শিম চাষ করে ঘুরেছে অনেক কৃষকের ভাগ্যের চাকা। চলতি মৌসুমে জেলায় সিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। শিম চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েকটি গ্রাম এখন শিমের গ্রাম হিসেবে পরিচিত পেয়েছেন। লাভজনক ফসল হওয়ায় অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন শিম চাষে।
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীর দিগন্ত বিস্তৃত জুড়ে এখন শিমের সবুজের সমারোহ শোভা পাচ্ছে। উপজেলার অসংখ্য কৃষক এখন শিম চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। এক সময়ের পতিত-অনাবাদী জমিতে অনেকে শিম চাষ করছেন। শিমের আবাদ করে কৃষকরা অধিক লাভের মুখ দেখছেন।
প্রতিদিন শিম কেনার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে নগদ টাকায় জমি থেকে শিম কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। উৎপাদিত এসব শিম এ অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হচ্ছে। শিমের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবং শিম অর্থকরী ফসলে পরিণত হওয়ায় অনেকের আগ্রহ বাড়ছে শিম চাষে।
উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া শিম চাষে উপযোগী হওয়ায় শিম চাষ সপ্রসারণে কৃষকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে কৃষি সপ্রসারণ বিভাগ।
পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি সপ্রসারণ উপ-পরিচালক কৃষ্ণ কুমার জানান, এবার এ অঞ্চলে প্রায় ১শ হেক্টর জমিতে হয়েছে সিমের চাষ। প্রথম অবস্থায় ভাইরাস জনিত রোগে আক্রান্ত হলেও কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তা সারিয়ে উঠতে পেরেছে কৃষক। এ কারণেই উপজেলায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে শিমের।
বাণিজ্যিকভাবে শিম চাষ করে ব্যাপক লাভবান হয়েছেন কৃষক। কৃষি শিম চাষে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এবং এ শিমের ভালো দাম পেলে এ অঞ্চলে চাষের পরিধি আরও বেড়ে যাবে এমনটাই আশা করছেন কৃষিবিদরা।
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল /এমই





