রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণে শিশুসহ ৫ জন দগ্ধ হয়েছে। আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আমগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন- উপজেলার আমগ্রাম এলাকার আব্দুর রহমানের স্ত্রী সালেহা বেগম (৪২), বেলাল হোসেনের শিশু কন্যা রিয়া খাতুন (১০), মৃত কলিম উদ্দিনের স্ত্রী রুপিয়া বেগম (৩৫), আয়ুব আলীর স্ত্রী পামেলা বেগম (৩৫) ও আঞ্জুয়ারা বেগম (৩৩)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির অদূরে মাঠে গরু চরাতে নিয়ে যান উপজেলার আমগ্রাম এলাকার আব্দুর রহমানের স্ত্রী সালেহা বেগম (৪২)। গরু মাঠে চরতে থাকলে সালেহা বেগম বাড়িতে চলে আসেন। দুপুর ২টার দিকে হালকা বৃষ্টি ও বিকট শব্দ হলে গরু আনতে মাঠে গিয়ে দেখেন তার গরুটি মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তার চিৎকারে গ্রামের লোকজন ছুটে যান সেখানে।
প্রায় ২০ মিনিট পর ঘটনাস্থলের কাছেই থাকা একটি বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হলে ট্রান্সফর্মারের তেল ও যন্ত্রাংশ ছিটকে নিচে থাকা লোকজনের ওপর পড়তে থাকে। এ সময় সালেহা বেগমসহ ওই এলাকার বেলাল হোসেনের শিশু কন্যা রিয়া খাতুন (১০), মৃত কলিম উদ্দিনের স্ত্রী রুপিয়া বেগম (৩৫), আয়ুব আলীর স্ত্রী পামেলা বেগম (৩৫) ও আঞ্জুয়ারা বেগম (৩৩) নামের এক নারীসহ ৫ জন দগ্ধ হয়।
ইউসুফ আলী নামের এক ব্যক্তি জানান, প্রথম দফায় ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ হলে পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে জানানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে আবারও ওই লাইনে সংযোগ দেওয়া হলে ট্রান্সফরমারটি বিস্ফোরিত হয়ে ভস্মীভূত হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ট্রান্সফরমারটি অপসারণ করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলে এ ঘটনা ঘটতো না বলে দাবি করেন তিনি।
এ ব্যাপারে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুত সমিতির দুর্গাপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম রমেন্দ্র চন্দ্র রায়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন ধরেননি।
কেএইচ





