চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার মুন্সীপুর সীমান্ত দিয়ে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ভারতে পাচার করা হয়েছে। পাচার হওয়া ছাত্রীর নাম ফরিদা খাতুন(১৪) বলে জানা যায়।
এসময় পাচার হওয়া ওই স্কুল ছাত্রীর মা রহিমা খাতুনকে (৩৫) উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ ঘটনায় তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার সুবোলপুর গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে রুহুল আমিন, আমির হোসেনের ছেলে আবুল কালাম ও মুন্সীপুর গ্রামের তেতুল বক্সের ছেলে সোহেল রানা।
পাচারকৃত ছাত্রী ফরিদা উপজেলার সুবোলপুর গ্রামের আকমান আলী মেয়ে। সে দামুড়হুদা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার বিকেলে ফরিদা ও তার মা রহিমা খাতুনকে ভারতে ১৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার কথা বলে একই গ্রামের মোজাম্মেল ও রুহুল আমিনসহ ৪ জন তাদেরকে মুন্সীপুর সীমান্তে নিয়ে যায়।
এক পর্যায়ে ফরিদা খাতুনকে সীমান্তের ৯৩/৫ পিলারের কাছে ভারতের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার হাটখোলা গ্রামের চান্দু’র হাতে তুলে দেয়।
মা রহিমা তাদের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হলে চিৎকার দেয়। এসময় মুন্সীপুর ক্যাম্পের টহলরত বিজিবি সদস্যরা রহিমা খাতুনকে উদ্ধার এবং পাচারকারী রুহুল আমিন, আবুল কালাম ও সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত পাচারকারী আবুল কালাম জানান, তারা বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী ও শিশুদেরকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচার করে আসছে।
মুন্সীপুর বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার তোতা মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা, ৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





