গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অপহরণের ১ মাস ২৬ দিন পর স্কুলছাত্রী মিম আকতারকে (১৫) উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঢাকার আশুলিয়ার ইপিজেড এলাকার রফতানি গেট থেকে সোমবার সকালে তাকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণ মামলার মূল আসামি হেলাল মিয়া (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার শ্রীকলা গ্রামের আব্দুল মজিদ মিয়ার ছেলে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত (নয়াপাড়া) গ্রামের আব্দুস সালাম জানান, তার মেয়ে মিম আকতার উপজেলার কোমরপু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়াশুনা করত। গত রমজানে স্কুল বন্ধ থাকায় সে স্থানীয় কোমরপুর বাজারের রাসেদ মাস্টারের কোচিং-এ লেখাপড়া করছিল। গত ১৯ জুন কোচিং-এ আসার সময় অপহরণের শিকার হয় মিম। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে হেলাল মিয়াকে মূল আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় অপহরণ আইনে একটি মামলা করেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই নবিউল জানান, তিনি মামলাটি তদন্তকালে জানতে পারেন অপহৃত মিমকে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় একটি বাসায় আটকে রাখা হয়েছে। এরপর রোববার মধ্যরাতে টঙ্গী থানা পুলিশের সহযোগিতায় তিনি ওই এলাকায় অভিযান চালান।

কিন্তু এর আগেই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিমকে নিয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে আশ্রয় নেয় ঢাকার সাভার এলাকায়। এরপর সাভারে অভিযান চালানো হয়। সোমবার সকালের দিকে এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার ইপিজেড এলাকার রফতানি গেট থেকে মিমকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী হেলাল মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, সেখান থেকে অপহৃত ভিকটিম ও আসামি এখনও থানায় পৌঁছেনি। থানায় পৌঁছানোর পর অপহৃত ভিকটিমকে পুলিশি হেফাজতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হবে। হেলাল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।

ওসি আরো জানান, এই মামলার অপর তিন আসামিকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এম এ