সিলেট, কক্সবাজার এবং ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
সিলেট ‘বন্দুকযুদ্ধ’
সিলেটে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার দিবাগত গভীর রাতে গোয়াইনঘাটের সালুটিকরের মিত্রিমহল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। র্যাবের দাবি নিহত ব্যক্তি ফজর আলী ২০ মামলার আসামি।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, রোববার রাতে গোয়াইনঘাটের সালুটিকর এলাকার মিত্রিমহল গ্রামে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায় অভিযান চালায় র্যাব। এসময় র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালায় মাদক ব্যবসায়ীরা। আত্মরক্ষার্থে র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে নিহত হন ফজর আলী।
তবে তার সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। নিহত ফজর আলীর বাড়ি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়।
সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ।
কক্সবাজার ‘বন্দুকযুদ্ধ’
কক্সবাজারের মহেশখালীতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নুরুল কাদের রানা (৩৪) নামে এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার মাতারবাড়ি সাইরার ডেইলে র্যাব-৭ এর একটি দলের সঙ্গে এ ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। র্যাবের দাবি, নিহত নুরুল একজন জলদস্যু। সে ওই এলাকার নুরুল হকের ছেলে।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তলসহ সাতটি অস্ত্র ও ৬৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান এই র্যাব কর্মকর্তা।
র্যাব-৭ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মাশকুর রহমান বলেন, রানা বঙ্গোপসাগর এলাকার একজন কুখ্যাত দস্যু। গত ২৬ আগস্ট নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলার এমভি মা বাবার দোয়া ও এমভি মাহিনে ডাকাতির মূলহোতা তিনি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
ময়মনসিংহ ‘বন্দুকযুদ্ধ’
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে' খলিল (৩৭) নামে অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্য নিহত হয়েছেন।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সোয়া ১টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের বাদেকল্পা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিবি পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) দুই পুলিশ সদস্য।
জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, রাতে শহরের বাদেকল্পা এলাকার দিঘারকান্দা-মুক্তাগাছা বাইপাস সড়কে অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের কয়েকজন সদস্য ছিনতাই করা অটোরিকশা কেনাবেচা করছিলেন। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে গেলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে তারা গুলি করতে করতে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে দু’টি চোরাই অটোরিকশা ও একটি পাইপগানসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য খলিলকে আটক করা হয়। পরে খলিলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডিবির ওসি আরও জানান, নিহত খলিলের বিরুদ্ধে আটটি অটোরিকশা চুরির মামলাসহ ১০টি মামলা রয়েছে। তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলায় চালকদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বাকচালা এলাকায়।
এসএম





