ব্যবসায়ী মাজেদুর রশিদকে ফিরে পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের হল রুমে ব্যবসায়ী মাজেদের পরিবারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হস্তক্ষেপ কামনা করা হয় ।
মাজেদের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন বিথী বলেন, আমার স্বামী একজন বব্যসায়ী, কোন রাজনীতিক দলের কর্মী না, গত ২৮ই ফেব্রুয়ারি বিকালে ব্যবসার কাজে ফকিরাপুলের বাসা থেকে বের হয়ে পল্টন থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়। এর পর থেকে আমরা তার ব্যবসার প্রতিষ্ঠান আত্নীয় স্বজনের বাসা ও বিভিন্ন জায়গা খোঁজ করে তার সন্ধান পায়নি।
আম্বিয়া খাতুন বিথী বলেন, এ বিষয়ে ঘটনার রাতে পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছি, ডায়রী নং ১১৩১ । এছাড়া সন্ধান চেয়ে ২০ই ফেব্রুয়ারি একটা সংবাদ সম্মেলন করি। এর পরও আমার স্বামীর সন্ধান দিতে পারে নি এই সরকার। আমি আমার স্বামীকে যে কোন মূল্যে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেতে চাই।
আম্বিয়া খাতুন বলেন, ফকিরাপুল এলাকায় জামে মসজিদদের অর্থসংক্রান্ত বিষয়ে নাসিরুল ইসলাম মিল্লক ওরফে পিন্টু, পিতা তমিজ উদ্দিন মল্লিক,আব্দুল সালাম, পিতা আব্দুর মাজিদ ওরফে মজি, আব্দুল রহিম, রাণী বাবুসহ কতিপয় কিছু তার লোক জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছিলো । এরা মসজিদের তহবিল থেকে প্রায় ৪২ কোটি টাকা আত্নসাৎ করে ।
তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি উত্তরাধিকারী সূত্রে সেই মসজিদের মোতায়াল্লির দায়িত্বা আমার স্বামীর উপর বর্তায় । তিনি এই আত্নসাৎ করা টাকা ফেরত দাবি করে, মসজিদের সকল অনিয়মের বিরুন্ধে পতিবাদ করে আসছিলো। এই ব্যপারে ক্ষিপ্ত হয়ে উপরোক্ত ব্যাক্তিবর্গ আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করেছে বলে আমি বিশ্বাস করি।
মজিদের স্ত্রী বলেন, আজ ২০ দিন যাবত আমার স্বামী আমাদের কাছে নাই তার অবর্তমানে দুই সন্তান নিয়ে পুরো পরিবার এক দুর্বিসহ অজানা আতস্কে দিন পার করছি। এর থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই । সাংসবাদিকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সহযোগীতা কমনা করছি, এবং আসামীদের গ্রেফতার করে আমার স্বামীকে দ্রুত উন্ধরের দাবি জানাছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, তার পুত্র শাহী ফারদিন বিশাল ,মেয়ে মেঘলা মেহরাজ, মাতা মাজেদা খাতুন প্রমুখ।
এমএ/ইআর





