গত ১ মাসে সারাদেশে ১৬৮ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ হত্যা করেছে ৭ জনকে। এই হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনে যেমন সামাজিক কারণ ছিল তেমনি রাজনৈতিক কারণেও বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে।
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস কমিশন (বিএইচআরসি) শনিবার (০১ জুন) তাদের মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছেন।
বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, পৌরসভা শাখার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর থেকে তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে তারা জানায়। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন এই কাজে তাদের সহায়তা করেছে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৬৮ জনের মধ্যে পারিবারিক কলহের জের ধরে নিহত হয়েছে ২০ জন। যৌতুকের বলি হয়েছেন ২ জন। সামাজিক কারণে প্রাণ গেছে ৪২ জনের ও ৪ জন রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে।
এর বাইরে একই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে মারা গেছেন ২৯ জন আর ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ হত্যা করেছে ৭ জনকে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিএইচআরসি আরও বলেছে, গত ১ মাসে সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন আরও ২২১ জন।
মানবাধিকার সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে চিকিৎসকদের অবহেলায় প্রাণ গেছে প্রায় ৮ জনের। অপহরণের পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে ৫ জন। গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন ৯ জন। ৭ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ও ৩৫ জনের মৃত্যুর কারণ রহস্য থেকে গেছে।
তাদের হিসাব বলছে, গত ১ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬৯ জন। যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৯ জন নারী। যৌতুকের দাবিতে নির্যাতিত হয়েছেন ২ জন ও ১ জন এসিড হামলার শিকার হয়েছে। কর্তব্যরত ২ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা হয়েছে এই সময়ের মধ্যে।
এই ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস কমিশন (বিএইচআরসি) বলেছে, দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির কারণে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো ঘটছে।
এমবি





