পার্বত্য বাঙ্গালি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সেক্রেটারি ও পৌর কাউন্সিলর এসএম মাসুম রানার মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দিয়েছে দুর্বত্তরা। এ ঘটনার জেরে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও বাঙালি ছাত্র পরিষদের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে।এতে আহত হয়েছে অন্তত ৮ জন।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় খাগড়াছড়ি উপজেলা পরিষদ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষ্যের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে আরও একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় এখনো টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

unnamed (1)

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি পৌর কাউন্সিলর ও পার্বত্য বাঙ্গালি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক মাসুম রানা বলেন, ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এঘটনা ঘটায়। ঘটনার আধঘন্টা আগে অজ্ঞাত একটি মোবাইল নাম্বার থেকে কল করে আমাকে উপজেলা মাঠে ডাকা হয়। আমি যাওয়ার পরপরই পিসিপি’র খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি রাজু চাকমার নেতৃত্বে আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসময় তারা আমাকেসহ বাঙ্গালি ছাত্রদের উদ্দেশ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আসতে দেখে তারা আরেকটি মোটর সাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়।

এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে মিছিল সমাবেশ করেছে পার্বত্য বাঙ্গালি ছাত্র পরিষদের নেতা-কর্মীরা।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহজল ইসলাম সজল, খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুম রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রমূখ।

সমাবেশ থেকে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘন্টা আলটিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় বৃহস্পতিবার থেকে খাগড়াছড়িতে লাগাতার হরতাল অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেওয়া হয়।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মো. হান্নান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এমই