দেশকে অস্থিতিশীল করতে বিএনপি বিদেশি নাগরিককে হত্যা করতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঢাকায় ইতালীয় এক নাগরিক খুন হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর বিএনপি’র এক নেতা (ড. মঈন খান) যেভাবে কথা বলছেন, তাতে সন্দেহ হচ্ছে তিনি নিজেই এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তা বেরিয়ে আসতে পারে। ঢাকায় ফিরেই তিনি এই ব্যবস্থা নেবেন।
প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে নিউইয়র্ক রয়েছেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, একটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী মানুষ পুড়িয়ে মারে। মানুষ খুন করে একটা অস্বাভাবিক অবস্থা সৃষ্টি করতে চায়।
তিনি বলেন, একজন বিদেশি নাগরিক মারা যাওয়ায় সত্যি আমরা দুঃখিত। এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। কিন্তু ওই ঘটনার পরপরই আমরা বিএনপির এক নেতাকে তৎপর দেখলাম। তাতে সন্দেহ হয়।
তাকে ধরে ইন্টেরোগেশন করা উচিত, এই ঘটনার সাথে তার কোনও সম্পৃক্ততা আছে কি না? এমন মত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি দেশে ফিরে সেই ব্যবস্থাই করবেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তার জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি স্থানীয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
জাতিসংঘে বাংলাদেশে স্থায়ী মিশন কার্যালয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ঢাকার একটি কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান ওই বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ‘জুজুর’ শিকার হয়েছে বলে মন্তব্য করে বলেন, ‘সরকার পশ্চিমা বিশ্বের কাছে মৌলাবাদের কথা বলে যে খাল কেটেছে সেখানেই তারা ডুবেছে।তার প্রমাণ পেয়ে গেছে, গতকাল (সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিরপরাধ বিদেশি নাগরিক হত্যার মাধ্যমে।’
ইআর





