দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি-বজ্র পাতে অন্তত ছয়জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন।
বজ্র পাতে রংপুরে দুইজন ও কিশোরগঞ্জের ভৈরব মারা গেছেন একজন। ঈশ্বরদীতে শীলার আঘাতে মারা গেছেন একজন। এছাড়া সিলেটে ঝড়ের সময় মারা গেছেন আরো দুইজন।
শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে উত্তরাঞ্চলের ১০ জেলা - পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, নাটোর ও পাবনায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। শেরপুর, সুনামগঞ্জেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয়রা এই শিলাবৃষ্টিকে ভয়াবহ আখ্যায়িত করে জানিয়েছেন, বড় আকারের শীলার আঘাতে মাথা কেটে গেছে, থেতলে গেছে। টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে।
শুক্রবার বিকেল থেকেই দেশের উত্তরাঞ্চলে কালবৈশাখীর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে ধূলিঝড়ে দুর্ভোগে পড়েন পথচারীরা। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়ায় গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে রাস্তায়।
হঠাৎ হাওয়ায় ফুটপাতের অনেক দোকানের পলিথিন লণ্ডভণ্ড করে উড়িয়ে নিয়ে যায়। এ সময় যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। পথচারীরা দোকানের ছাউনি, অফিস বা রাস্তার পাশের বিল্ডিংয়ের বারান্দায় আশ্রয় নেন।
আবহাওয়া অফিস তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, শনিবার সকাল পর্যন্ত সারাদেশে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
বিকেলের কালবৈশাখীতে বিমান চলাচল, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বেশ বিঘ্ন ঘটে।
রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিকেল সোয়া ৪টা থেকে তিন ঘণ্টার জন্য সতর্কতা জারি করে বিমানবন্দরের আবহাওয়া অফিস। এ সময় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সব ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া, দেশের অন্যান্য বিমানবন্দর থেকেও ঢাকাগামী ফ্লাইটগুলো বন্ধ রাখা হয়।
জেড





