ছেলেশিশু ‘একুশ’কে সন্তান হিসেবে লালন-পালনের সুযোগ ১৬ আবেদনকারীর মধ্যে কে পাবেন—আগামীকাল বুধবার সে বিষয়ে আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রথম অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

একুশকে সন্তান হিসেবে লালন-পালনের সুযোগ পেতে আদালতে আজ দুটিসহ ১৬টি আবেদন জমা পড়েছে।

শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এম এ ফয়েজ সাংবাদিকদের বলেন, আদালত প্রত্যেক আবেদনকারীর বক্তব্য শুনেছেন। শুনানিকালে উপস্থিত না থাকায় তিনজনের আবেদন বাতিল করা হয়। বাকি ১৩ জনের মধ্যে কার জিম্মায় শিশুটিকে লালন–পালনের জন্য দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আদালত আদেশ দেবেন কাল। আবেদনকারীদের মধ্যে যাঁদের ভবিষ্যতে মা হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কিংবা আট থেকে দশ বছর ধরে সন্তান হচ্ছে না এবং যারা শিশুটিকে লালন-পালন করতে পারবেন, তাঁদের জিম্মায় দেওয়া হতে পারে। শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার এখতিয়ার আদালতের নেই। শুধু জিম্মায় দিতে পারেন, তা–ও ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে চট্টগ্রাম নগরের কর্নেলহাট এলাকার ময়লার স্তূপে পাওয়া যায় নবজাতকটিকে। পুলিশ ও স্থানীয় যুবকেরা শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তার নাম দেওয়া হয় একুশ। শিশু ‘একুশ’ বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছে।

এমই