চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের শেষ ধাপে সর্বোচ্চ সতর্কমূলক ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (৩ জুন) ইসির উপ-সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাটি পাঠিয়েছেন। শনিবার (৪ জুন) শেষ ধাপে দেশের ৭ শতাধিক ইউপিতে নির্বাচন হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়, চলমান ইউপি নির্বাচনের পাঁচটি পর্ব ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ৪ জুন ষষ্ঠ ও শেষ ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্চম পর্যায়ের ইউপি নির্বাচনেও বিভিন্ন স্থানে সংঘাত, হানাহানি ঘটেছে এবং বেশ কিছু প্রাণহানি হয়েছে, যা কোনোমতেই কাম্য নয়।
‘এই অবস্থায় ৪ জুন শেষ পর্যায়ে অনুষ্ঠেয় ইউপি নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হয়, সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দিয়েছে ইসি।’
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এ নির্দেশনার অনুলিপি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ৠাব, আনসার, বিজিবি মহাপরিচালককেও পাঠানো হয়।
এদিকে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে টাঙ্গাইলের গোপালপুর সার্কেলের এএসপি জমিরউদ্দিন সরকারকে প্রত্যাহার করে সেখানে একজন উপযুক্ত কর্মকর্তা পদায়নের নির্দেশও দিয়েছে ইসি। সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত নির্দেশনাটি স্বরাষ্ট্র সচিবকে পাঠানো হয়েছে।
একইসঙ্গে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে উপযুক্ত কর্মকর্তা পদায়নের জন্য আইজিপিকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।
ইসি সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছি।
পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাই ষষ্ঠ ধাপের ভোটের আগের দিন এ অধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে ইসি।
এমআর





