বিএনপির মহা-সচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়। বর্তমানে দেশে মতপ্রকাশের ও সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা নেই। মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স বাতিলের ভয়ে গণমাধ্যম সত্য ঘটনা প্রকাশ করতে পারছেনা।

মঙ্গলবার বিকালে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব চত্বরে জেলা যুবদলের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

চৌধুরী মহিবুল্লাহ আবু নুরের সভাপতিতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মির্জা ফয়সল আমিন,জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর রহমান,যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যালবাট পি.কষ্ট্রা,সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক,ফরহাদ হোসেন আজাদ, মাহবুব হোসেন তুহিন প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে সব ধর্মের মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। দাঙ্গা লাগিয়ে বাড়িঘর ভিটে মাটি ছাড়া করা হচ্ছে।আগুন দেওয়া হচ্ছে বাড়ি ঘরে । গোটা দেশকে কারাগার বানানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন বিএনপি সহ বিভিন্ন বিরোধী দলের দুই হাজার নেতা কর্মীকে হত্যা ও ৫ হাজার নেতা কর্মীকে গুম করা হয়েছে। বিএনপির নেতা সালাউদ্দিনকে ভারতের ত্রিপুরার শিলিংয়ে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে এখনও মুক্তি দেয়া হচ্ছে না।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে এই সরকার গণতন্ত্র মুক্তিকামী মানুষকে খুন,গুম ও বিনা বিচারে বন্দিকরে রাখছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

দেশ স্বাধীনের পর বাহাত্তরে গণতন্ত্র গলাটিপে হত্যা করা হয় যার ধারাবাহিকতায় এখনও অব্যাহত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব।

বিএনপির তিনি আরো বলেন,আওয়ামীলীগ সরকারে আসলে দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। ৭৪ রের দূভিক্ষে রংপুরের চিলমারির সেই বাসন্তি কালের সাক্ষী। তিনি বস্ত্রের অভাবে লজ্জা নিবারনে মাছ ধরা জাল পড়েছিলেন। তার পরেও আওয়ামীলীগ সরকারের লজ্জা হয়না ।

তার আগে সকালে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের পোকাতি গ্রামের সন্ত্রাসীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ ২টি মন্দির পরিদর্শন করেন।

পারভেজ/নাজিব